News Sonar Bangla: রাজ্য

Hot

Post Top Ad

Your Ad Spot
Showing posts with label রাজ্য. Show all posts
Showing posts with label রাজ্য. Show all posts

Friday, 18 January 2019

মাজদিয়া পানশিলা তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেড যাত্রা

January 18, 2019 0

নিউজ সোনার বাংলা: ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এখন সাজ সাজ রব। কারণ 19 শে জানুয়ারি আসতে আর 24 ঘন্টাও বাকি নেই। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক ও  কর্মীরা। এমনই মাজদিয়া পানশিলা তৃণমূল কংগ্রেসের একটি  টিম রওনা  হয় আজ এদের মধ্যে উপস্থিত আছেন মাজদিয়া পানশিলা তৃণমূল কংগ্রেসের 213 নম্বর বুথের প্রতিনিধি নেপাল চন্দ্র সাধুকখাঁ সহ আরো অনেকে
Read More

Thursday, 17 January 2019

অমিত সাহ সভা বন্ধ চাপে বিজেপি নেতা

January 17, 2019 0

নিউজ সোনার বাংলা: ১৯জানুরায়ী কলকাতার বিগ্রেডের জন্য সভা করবেন তৃণমূল এবং সারা ভারতের বিজেপি বিরোধী দলগুলো। এদিকে বিজেপির রথযাত্রা থমকে যাওয়ায়, আজ রাজ্য বিজেপি রণকৌশল ঠিক করেছে,রাজ্যে বিজেপির দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন ২০,২১এবং ২২ তারিখ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বাংলার পাঁচটি প্রান্তে সভা করবে। এবং৮ ফেব্রুয়ারি নরেন্দ্র মোদীর সভা করবেন বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু তার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে গেলেন অমিত শাহ।

আরো পড়ুুন সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগদান মাজদিয়া পানশিলার পথ সভায়

বিজেপি লোকসভা ভোটের আগে কবে সভা করবেন তা এখনো রাজ্য বিজেপির দপ্তর থেকে জানানো হয়নি। কিন্তু দিলীপ ঘোষ টুইট করে বলেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক এই কামনা করি। লোকসভা ভোটের আগে অমিত সাহের মতো এক ব্যক্তির সভা না করাকে বিরোধীদের কাছে অক্সিজেন পাবে। এখন ও সভা নিয়ে কোন উত্তর দেয়নি রাজ্যে নেতৃত্ব।

চিকিৎসা জানিয়েছেন সয়াইন ফ্লুঁ আক্রান্ত হলে কম করে ২সপ্তাহ শরীর অসুস্থ থাকে। ফলে ফের চাপে রাজ্যে বিজেপি। এখন দেখার বিশয় সত্যি কি সভা করতে পারবেন অমিত সাহ। বিজেপি নেতৃত্ব থেকে এখন ও কিছু জানাইনি৷
Read More

Wednesday, 16 January 2019

পূর্ব বর্ধমানে শুরু হল মিষ্টি হাবে মিষ্টি উৎসব উদ্বোধন করলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

January 16, 2019 0


নিউজ সোনার বাংলা:  মিষ্টি হাবে মিষ্টি উৎসব 2019 এর সূচনা হলো বুধবার, উদ্বোধন করেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি শ্রীমতি শম্পা
ধারা জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জি সহ অন্যান্যরা। রাজ্যের
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতধরে বর্ধমাননের উল্লাস শুরু হয়েছিল মিষ্টি হাবের প্রথম
পর্যায়ে পথচলা। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। এইবার পালা বিপননের সঠিক
ব্যবস্থা করা। সেই লক্ষ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই মিষ্টি উৎসবের আয়োজন
করা হয়। অংশ নেয় মিষ্টি হাবের ২৫ টি দোকান,  সূত্রের খবর সীতাভোগ,রসগোল্লা, জলভরা
সন্দেশ সবই থাকছে এই উৎসবে। বিভিন্ন ধরনের মনোরঞ্জনের জন্য থাকছে বাউল গান বিভিন্ন
ধরনের প্রতিযোগিতা এমনকি ক্রেতা আকর্ষণের জন্য থাকছে বিশেষ ছাড়, ক্রাচ কার্ডের মাধ্যমে
মিলবে 50% পর্যন্ত ছাড়। উৎসব চলবে 22 শে জানুয়ারি পর্যন্ত।
Read More

টাকার লোভ দেখিয়ে বিজেপিতে টানতে চাইছে সৌমিত্র খাঁ বিক্ষোভ জনতার

January 16, 2019 0

নিউস সোনার বাংলা: দলত্যাগী তৃণমুল সাংসদ তথা সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নেমে বিক্ষোভ দেখালো আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন। বাঁকুড়ার খাতরার সিমলাপালে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে আজ দুপুরে বিক্ষোভ দেখান তারা। তাদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলের আদিবাসী কর্মী সমর্থকদের মোটা অর্থের লোভ দেখিয়ে বিজেপিতে যোগদান সাথে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছেন সৌমিত্র খাঁ । তাই সৌমিত্র খাঁয়ের শাস্তির দাবিতে আজ তারা পথ অবরোধ করেন।
উল্লেখ্য গতকাল খাতরা থানায় সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন।
বিক্ষুব্ধ আদিবাসীদের অভিযোগ যে, তাদেরই এক নেতাকে সৌমিত্র খাঁ ফোনে মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে বলেছেন, সমস্ত আদিবাসী মানুশজন যেন বিজেপিকে ভোট দেয় বলে অভিযোগ। তাদের বক্তব্য তারা বরাবর সৎ পথে থাকেন আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হয়ে ক্লাজ করে চলেছেন। কিন্তু এভাবে তাদের টাকার প্রলোভন দেখানো যেন তাদের হাটে বাজারে কেনা বেচা করার মতো হচ্ছে। তারই প্রতিবাদে আজ তারা পথ অবরোধ করেন। তারা সৌমিত্র খাঁয়ের শাস্তির দাবি জানান। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন খাতরার এসডিপিও। তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়।
Read More

Tuesday, 15 January 2019

মোদির কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে ব্রিগেডে হাজির হচ্ছে সমস্ত বিজেপি বিরোধী শিবির

January 15, 2019 0

নিউস সোনার বাংলা: উনিশের ব্রিগেডে রাজনৈতিক নক্ষত্রের সমাবেশ ঘটছে। তাই আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। সেই নিয়েই আজ নবান্ন সভাঘরে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্রিগেডের জন্য প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে মমতার আলোচনা হয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও পুলিশ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ১৯-এর ব্রিগেডে মোদী বিরোধী মহামঞ্চে ভিন রাজ্য থেকে কারা কারা আসছেন তা জানান মমতা। জম্মু-কাশ্মীর থেকে ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুখ আবদুল্লা এবং ওমর আবদুল্লা, দিল্লি থেকে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল, উত্তরপ্রদেশ থেকে সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব এবং আরএলডি-র অজিত সিংহ, বিহার থেকে লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব, মহারাষ্ট্র থেকে এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, কর্নাটক থেকে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া এবং তাঁর ছেলে তথা সে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী, তামিলনাড়ু থেকে ডিএমকে প্রধান স্ট্যালিন, অসম থেকে এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল – এঁরা ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন জানিয়েছেন।
সোনিয়া গান্ধীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সোনিয়া এই সমাবেশে যে আসছেন না, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এ দিন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সনিয়াজির শরীরটা খারাপ।’ কংগ্রেসের তরফ থেকে মল্লিকার্জুন খড়্গে হাজির থাকবেন ব্রিগেড সমাবেশে, জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারায়ি বিজয়নকে ব্রিগেড সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিজয়ন বা সিপিএমের তরফে কোনও সাড়া যে মেলেনি, তা তৃণমূলনেত্রী এ দিন স্পষ্ট করে দেন।
ব্রিগেড সমাবেশে আমন্ত্রিতদের তালিকায় এমন কয়েকটা নাম রয়েছে, যে সব নাম বিজেপির অস্বস্তি অনেকটা বাড়াতে পারে। বাজপেয়ী জমানার দুই মন্ত্রী যশবন্ত সিন্‌হা এবং অরুণ শৌরি তো সেই তালিকায় রয়েছেনই। রয়েছেন পটনা সাহিব লোকসভা আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্‌হা-ও। এ ছাড়াও গুজরাতের দলিত আইকন তথা নির্দল বিধায়ক জিগ্নেশ মেবাণী এবং গুজরাতের পাটিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক পটেলও শনিবারের ব্রিগেডে আমন্ত্রিত।
Read More

মুখ্যমন্ত্রীরর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন এই অ্যাপের সাহায্যে

January 15, 2019 0
নিউস সোনার বাংলা: যোগাযোগ আরও বাড়াতে এবার নয়া অ্যাপ চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। নয়া অ্যাপের মাধ্যমে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা যাবে। তবে, এই পরিষেবা আমজনতার জন্য না হলেও শিক্ষা দপ্তরের কর্তারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। কোথায় কোনও সমস্যা হলে, মুহূর্তেই সেই সংক্রান্ত তথ্য পেয়ে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। মূলত, দপ্তরের কাজে গতি বাড়াতেই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।
Read More

রাজ্যরাজনৈতিক নক্ষত্রদের বেনজির সমাবেশ, ব্রিগেডে পাঁচ মঞ্চ গড়ে চমক তৃণমূলের

January 15, 2019 0


নিউস সোনার বাংলা  : তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ 19 জানুয়ারি। আসন্ন লোকসভা ভোটের সলতে পাকাতে তৃণমূলের এই ব্রিগেড এখন গোটা দেশের রাজনৈতিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তৃণমূল শীর্ষস্তর নিশ্চিত, শুধু রাজনৈতিক তাৎপর্যেই নয়, জমায়েতেও অতীতের সব ব্রিগেডকে ছাপিয়ে যাবে 19 জানুয়ারির ব্রিগেড।

এবারের মঞ্চ-বিন্যাসও নজিরবিহীন। মূল মঞ্চ সহ দু’পাশে 2টি করে মোট 5টি মঞ্চ তৈরি হচ্ছে এবার। যা এর আগে ডান বা বাম, এমনকী তৃণমূলের কোনও ব্রিগেড সমাবেশেও হয়নি।

আরো পড়ুন বড়সড় ধাক্কা বিজেপির, রথযাত্রার অনুমতি দিল না শীর্ষ আদালত

দেশের রাজনৈতিক আকাশের মহানক্ষত্রদের সমাবেশ হবে এই ব্রিগেডে। সে কারনেই মঞ্চ বিন্যাসের পরিকল্পনাও অভিনব। মূল মঞ্চে তৃণমূল নেত্রী- সহ শাসক দলের হাতেগোনা কয়েকজন নেতা-নেত্রী থাকবেন। ওই মঞ্চের মূল আকর্ষণ ভিন রাজ্য থেকে আসা বিরোধী রাজনীতির তারকারা। উচ্চতায় 12 ফুট এই মূল মঞ্চে একটি পোডিয়াম ছাড়া দুটি স্তর থাকবে। 100 ফুট লম্বা ও 45 ফুট চওড়া হবে মূল মঞ্চ। মূল মঞ্চের দ্বিতীয় স্তরটি হবে 100 ফুট লম্বা এবং দৈর্ঘ্যে 40 ফুট। ভিন রাজ্যের VVIP-দের জন্য মূল মঞ্চে আলাদা সিঁড়ি থাকছে। বাকি মঞ্চগুলিতে শাসকদলের সংসদ সদস্য, বিধায়ক, জেলা পরিষদ তথা পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক কর্মী, বিশিষ্টজনের বসার ব্যবস্থা থাকবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও যথেষ্ট কড়া হবে। তাই নির্দিষ্ট তালিকায় যাদের নাম থাকবে, তাঁরা ছাড়া কাউকেই মঞ্চের কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। আপাতত জানা গিয়েছে গোটা দেশের একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আসছেন। বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের শীর্ষনেতারা আসছেন। জানা গিয়েছে, প্রথমে না বললেও পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এই সমাবেশে আসছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। জানা গিয়েছে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অখিলেশ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আসছেন। এখন কংগ্রেসের সঙ্গে কথা চলছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।



তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “এবারের ব্রিগেড সব দিক থেকেই ঐতিহাসিক। অতীতে মমতা যতবার ব্রিগেডের ডাক দিয়েছেন, নিশানায় ছিল বামফ্রন্ট সরকার। বাম অপশাসন থেকে বাংলাকে মুক্ত করাটাই ছিল সেই সব সমাবেশের প্রধান অঙ্গীকার। কিন্তু আগামী দিনে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র অক্ষুণ্ণ থাকবে কি না, সেটা নির্ধারিত হবে এই সমাবেশের সাফল্যের উপর। তাই বিজেপি বিরোধী শক্তির মহাসমাবেশ ঘটানোর ঐতিহাসিক দায়িত্ব এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের উপর।”
পার্থবাবুর ধারণা এই বিশাল ময়দানেও সব মানুষকে ঠাঁই দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই শহরের নানা জায়গায় LED স্ক্রিন লাগানো হচ্ছে।




Read More

Post Top Ad

Your Ad Spot